কোয়েল পালন, স্বল্প সময়ে স্বল্প পুঁজিতে

কোয়েল পাখি (Quail birds)পালন —

পোলট্রি শিল্পে কোয়েল আর নতুন সংযোজন নয়।বাংলাদেশে প্রায় দুই দশক ধরে অনেকেই কোয়েল পালনের সাথে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত ।পৃথিবীর সর্বত্রই কোয়েল পাখি রয়েছে ।বিশেষ করে জাপানিজ কোয়েল (Japanese Quails)।আফ্রিকা ও এশিয়ায় এ কোয়েল পরিযায়ী বা ভ্রমণশীল (Migratory birds) হিসেবে পরিচিত ।কোয়েল প্রথম দিকে পোষা পাখি বা গানের পাখি হিসেবে মানুষ পালন করলেও ১৯০০ সাল থেকে বৃহত্তর পরিসরে জাপান,চীন সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই মাংস ও ডিম উৎপাদনের জন্য পালন করা হচ্ছে ।বর্তমানে কোয়েল পালন স্বল্প সময়ে স্বল্প পুঁজিতে একটি লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে উঠেছে এবং বেকার সমস্যা দূরীকরণের নিমিত্তে একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।কোয়েল পালন করে বাংলাদেশে অনেকেই বিত্তশালী হয়েছে ।কোয়েল পাখির ডিম ও মাংস উভয় স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ।বাংলাদেশের অনেক বড় বড় হোটেলে কোয়েল পাখির মাংসের চাহিদা রয়েছে এবং এর চাহিদা আরো উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

কোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস —-

ফাইলাম (Phylum) — কর্ডাটা (Chordata)
সাব-ফাইলাম (Sub-Phylum)– ভার্টিব্রা (Vertebra)
ক্ল্যাস (Class)— এভিস (Aves)
অর্ডার (Order)– ক্যালিফর্মিস (Calliformes)
ফ্যামিলি (Family)– ফ্যাসিয়ানিডি (Phasianidae)
জেনাস (Genus)– কর্টুরনেক্স (Corturnix)
স্পিসিস (Species)– কর্টানিক্স (Cortanix)
সাব-স্পিসিস (Sub-species)– জাপোনিকা (Japonica)

জাপানিজ কোয়েলের ৫ টি ভ্যারাইটি(Varieties) আছে ।যথা —-
১। ব্রিটিশ রেঞ্জ (British range)
২। ফ্যারাচ (Pharach) বা বন্য প্রকৃতির (Wild type)
৩। ইংলিশ হোয়াইট (English white)
৪। টুক্সিডো (Tuxedo)
৫। ম্যানচ্যুরিয়ান গোল্ডেন ( Manchurian golden) ।

কোয়েল পাখির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ( Characteristics of Quail birds) —

১। কোয়েল চরম আবহাওয়ায় টিকে থাকতে পারে এমন কষ্ট সহিষ্ণু পাখি (Hardy birds)।ভিন্ন ভিন্ন আবহাওয়ায় কোয়েল পাখি নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ।

২। কোয়েল পাখি দ্রুত বর্ধনশীল এবং প্রায় ৬ সপ্তাহ বয়সেই পূর্ণাঙ্গতা (sexual maturity) অর্জন করে ।জীবন্ত পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ কোয়েলেরদৈহিক ওজন ১২০-১৫০ গ্রাম ।অপরদিকে একটি জীবন্ত স্ত্রী কোয়েলের দৈহিক ওজন ১৫০-১৮০ গ্রাম ।

৩। কোয়েলের উৎপাদন বেশ উঁচু মাত্রার।যথাযথ যত্ন নিতে পারলে প্রথম বছরে এক একটি কোয়েল ২৬০ টি পর্যন্ত ডিম দেয় ।এক কথায় বলা যায় কোয়েল পাখি ডিমের মেশিন অর্থাৎ প্রচুর পরিমাণে ডিম উৎপাদনশীল পাখি ।

৪। কোয়েল পাখি খুবই দ্রুত যৌনতা প্রাপ্ত হয় (Early sexual maturity) এবং প্রতি বছর ৩-৪ প্রজন্ম (Generation) উৎপাদন করতে সক্ষম ।

৫। কোয়েল পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য যে কোন পাখি থেকে অনেক বেশি ।

৬। মুরগি বা হাঁস থেকে তুলনামূলকভাবে কোয়েল পাখির জন্য কম ফ্লোর স্পেস (Floor space), খাদ্যে পানির আঁধার কম লাগে ।

৭। কোয়েল পাখি ৫০ দিন বয়সেই পূর্ণ উৎপাদনে সক্ষম ।৭৫% ডিম বিকেল ৩ টা থেকে ৫ টার মধ্যে এবং ২৫% ডিম রাত্রে পাড়ে ।কোয়েল পাখির ডিমের গড় ওজন ১০ গ্রাম ।

৮। ইনকিউবেশন প্রিয়ড (Incubation period) খুবই কম ।মাত্র ১৭থেকে ১৮ দিন ।

৯। যথেষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় অন্যান্য পাখির ন্যায় কোয়েল পাখিকে তেমন কোন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হয় না ।তবে কোন এলাকায় রাণীক্ষেত রোগের প্রাদুর্ভাব থাকলে রাণীক্ষেত রোগের ভ্যাকসিন নিয়মানুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে ।

১০। কোয়েল পাখিকে অন্যান্য পাখির ন্যায় কৃমিনাশক প্রয়োগ করতে হয় না ।

কোয়েল পাখির পুনরৎপাদন (Reproducton of Quail birds) –

গৃহপালিত কোয়েল পুরো বছর জুড়েই পুনরৎপাদন (Reproduction) করে।যখন কোয়েলের বয়স ১০ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে তখন বাচ্চা উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করে ।
গৃহপালিত কোয়েলের প্রজনন তন্ত্রের পূর্ণতা আলোকদান কর্মসূচী নিয়ন্ত্রণ করা দরকার ।গৃহপালিত কোয়েলকে অনবরত ( continuous) অন্ধকারে রাখলে যৌনাভাস ও ডিমের উৎপাদন প্রায় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায় ।তাই কোয়েল পাখিকে অনবরত (continuous) আলোতে রাখলে প্রথম বছর ডিমের উৎপাদন হার উচ্চতর থাকে এবং দ্বিতীয় বছরের শেষের দিকে উৎপাদন থেমে যাবে।
মুরগি প্রায় ৭৫% ডিম পাড়ে সকালে এবং কোয়েল পাখি ৭৫% ডিম পাড়ে বিকেল ৩ টা থেকে ৬টার মধ্যে ।বাকি ২০থেকে ২৫% ডিম পাড়ে রাত্রে ।

নিষিক্ত ডিমের (fertile eggs) উৎপাদনের জন্য প্রতি ৩ টি স্ত্রী কোয়েলের জন্য ১ টি পুরুষ কোয়েলের দরকার ।স্ত্রী কোয়েল ও পুরুষ কোয়েল মিলনের (mating) জন্য একত্রে ছেড়ে দেয়ার ৪ দিন পরের ডিম হ্যাচিং এর জন্য সংগ্রহ করা দরকার ।কোয়েলের ডিমের খোসা অপেক্ষাকৃত অন্যান্য পাখির ডিমের খোসার চেয়ে নরম ও পাতলা প্রকৃতির ।যার ফলে কোয়েল পাখির ডিম সহজে ভেঙ্গে যায় ।তাই হ্যাচিং এর জন্য ডিম অতি সাবধানের সাথে সংগ্রহ করতে হয় ।কোয়েল পাখির ডিমের গড় ওজন ১০ গ্রাম হয় ।

হ্যাচিং উদ্দেশে সংগ্রহকৃত ডিম ১৫.৫°সে. তাপমাত্রায় ও ৮০% আদ্রর্তায় প্রায় ২০ মিনিট ধরে ফর্মালডিহাইড দ্বারা ফিউমিগেশন সংরক্ষণ করতে হবে।কোয়েলের অন্যান্য পাখির ডিমের ন্যায় প্রাকৃতিক ভাবে (Naturally) ব্রুডি মুরগির মাধ্যমে অথবা কৃত্রিমভাবে (Artificial Incubation) এর মাধ্যমে ফুটানো (hatching) করা যায় ।

কৃত্রিমভাবে ডিম হ্যাচিং করলে সেটিং ট্রেতে ডিমের বড় প্রান্ত উপরের দিকে রেখে সেটারে সেট করতে হবে ।ইনকিউবেটরে ১৪ দিন পর্যন্ত ৩৭°সে. তাপমাত্রা ও ৬০% আদ্রর্তা রাখতে হবে ।সেটারে ডিম প্রতি ২-৪ ঘন্টায় একবার ঘোরাতে হবে ।১৪ দিনে অথবা আরো আগে হ্যাচিং ডিম সেটার থেকে হ্যাচিং ট্রেতে ট্রান্সফার করতে হবে ।কোয়েলের বাচ্চা ইনকিউবেটর থেকে ১৮ দিনে ব্রুডারে নিতে হবে।কোয়েল পাখির নতুন বাচ্চার ( Newly hatched chicks) দৈহিক ওজন ৬-৭ গ্রাম । কোয়েলের বাচ্চা জন্মের সময় পালকের রঙ বাদামি থেকে হলুদ রঙের ডোড়াকাটা দাগ থাকে ।
বয়স্ক কোয়েলের উর্বরতা (fertility) ব্যাপকভাবে হ্রাস পায় ।

কোয়েলের বাচ্চার ব্রুডিং ও পালন পদ্ধতি —

কোয়েল বাচ্চার ব্রুডিং এর সময় প্রথম ২ সপ্তাহ মুরগির বাচ্চার চেয়ে কোয়েলের বাচ্চা তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্কতার সাথে পরিচর্যা করতে হয় ।পরবর্তীতে কোয়েলের বাচ্চা বেশ কষ্ট সহিষ্ণু বা সহনশীল হয়ে ওঠে ।
ব্রুডিং এর সময় মুরগির বাচ্চার মতোই কোয়েলের বাচ্চাকে ব্রুডারে রেখে তাপ দিতে হবে ।কোয়েল এর বাচ্চাকে ৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত তাপ দিতে হবে ।

কোয়েলের বাচ্চার ব্রুডিং তাপমাত্রা—
প্রথম সপ্তাহে – ৯৫°ফাঃ
দ্বিতীয় সপ্তাহে-৯০°ফাঃ
তৃতীয় সপ্তাহে- ৮৫°ফাঃ
চতুর্থ সপ্তাহে -৮০°ফাঃ

তাপমাত্রা দরকার হলে কোয়েলের বাচ্চা ব্রুডারের নিচে জমা হতে থাকবে।

কোয়েলের বাচ্চার বদ অভ্যাস বিশেষ করে ঠোকরাঠুকরি এড়াতে ২ সপ্তাহ বয়সের মধ্যেই ঠোঁট নেইল কাঁটার (Nails cutters) দিয়ে কেটে দিতে হবে ।

কোয়েলের বাচ্চা লিটার পদ্ধতিতে ব্রুডিং করলে বাচ্চার বয়স ও সময় ভেদে বাচ্চা প্রতি ২০০ থেকে ২৫০ বর্গ সে.মি . জায়গা বরাদ্দ দেয়া দরকার ( Floor space requirement)।আর ব্যাটারি পদ্ধতিতে ব্রুডিং করলে বাচ্চা প্রতি ১৫০ থেকে ১৮০ বর্গ সে.মি. জায়গা বরাদ্দ দেয়া দরকার ।পরবর্তীতে ৪ সপ্তাহ বয়সের মধ্যেই বাচ্চা ব্রুডার থেকে খাঁচা অথবা ফ্লোরে স্থানান্তর করতে হবে ।

বাসস্থান ও যন্ত্রপাতি (Housing and equipments)-

যদি খাঁচায় পালন করা হয় সেক্ষেত্রে ডিম পাড়ে এমন প্রতি জোড়া কোয়েলের জন্য ৫×৪ ইঞ্চি জায়গা দরকার ।খাদ্য ও পানির আধারের জন্য যথাক্রমে ১.২৫সে.মি. থেকে ২.৫সে.মি. জায়গা বরাদ্দ দেয়া দরকার ।
লিটার পদ্ধতিতে প্রতিটি কোয়েলের জন্য ২.৩০ বর্গ সে.মি.জায়গা বরাদ্দ দিতে হবে ।
লিটারে পালিত কোয়েল তাদের ডিম লিটারের ভেতর লুকিয়ে রাখে ।তাই সে বিষয়ে খামারিকে আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে ।
পুরুষ ও স্ত্রী কোয়েল যথাসময়ে পৃথক করতে হবে এবং তাদের পৃথক পৃথক ভাবে লালন পালন করতে হবে ।পৃথক করার পরে প্রায় ৪৮ ঘন্টা বিরতিহীনভাবে (Continuously) আলো দিতে হবে ।
সর্বোচ্চ উৎপাদন ও ভালো উর্বর ডিমের ( maximum production and Good fertile eggs) জন্য ডিম পাড়া কোয়েল বা ব্রিডার্স কোয়েলকে দিনে ১৪ থেকে ১৮ ঘন্টা আলোতে রাখতে হবে ।
মাংস উৎপাদনের জন্য পালনকৃত কোয়েলকে দিনের বেলায় মাত্র ৮ ঘন্টা আলো দিতে হবে এবং আলোর তীব্রতা খুবই কম হতে হবে ।এতে কোয়েলের প্রজনন তন্ত্রের পূর্ণতা আসতে দেরি হবে এবং কোয়েলের দৈহিক ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে ।

কোয়েলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও খাদ্য ফর্মূলা —-

দৈহিক বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে মুরগির ন্যায় কোয়েলের খাদ্য ফর্মূলাকেও ৩ গ্রুপে ভাগ করা হয় ।
১। স্টার্টার (০ থেকে ৩ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত),
২। গ্রোয়ার ( ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত),
৩। লেয়ার/ ব্রিডার্স ( ৬ থেকে ততুর্ধ )

প্রথম ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত কোয়েলের খাদ্যে প্রায় ২৭% প্রোটিন ও মেটাবলিক এনার্জি ( ME) ২৭৫০ কিলো ক্যালরি প্রতি কেজি খাদ্যে ।
গ্রোয়ার ফিডে ২৪ %প্রোটিন ও মেটাবলিক এনার্জি (ME) ২৭০৫ কিলো ক্যালরি প্রতি কেজি খাদ্যে ।তবে উৎপাদনের সময় বিশেষ করে বাণিজ্যিক কোয়েল বা ব্রিডার্স কোয়েলের প্রতি কেজি খাদ্যে ২২% প্রোটিন ও মেটাবলিক এনার্জি (ME) ২৬৫০ কিলো ক্যালরি থাকতে হবে ।উল্লেখ্য যে,পূর্ণ বয়স্ক একটি কোয়েলকে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ গ্রাম খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে ।

কোয়েল পাখির একক পাকস্থলী হওয়ায় (Single stomached) সব ধরনের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড ও এমাইনো এসিড (Essential fatty acids and amino acids) সরবরাহ করা দরকার । ২১ টি প্রয়োজনীয় মিনারেল উপাদান ও ১৬ টি ভিটামিন সহ এসকর্বিক এসিড দরকার ।এসকর্বিক এসিড যে কোনো ধরনের ধকল কাটিয়ে উঠতে বাড়তি এসকর্বিক এসিড এর দরকার হয় ।যদিও কোয়েল এসকর্বিক এসিড নিজে নিজে সিনথেসিস করতে সক্ষম হয় ।

কোয়েল পাখির জন্য ২৪ ঘন্টা বিরতিহীনভাবে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার ।তা নাহলে কোয়েলের উৎপাদন ও বৃদ্ধি উভয় ব্যহত হবে।

কোয়েল পাখির রোগ (Diseases of Quails) —

জাপানিজ কোয়েলের রোগ সহ্য ক্ষমতা অন্যান্য যে কোন পাখি থেকে অনেক বেশি ।আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন জনিত কারণে কোয়েল ধকলে আক্রান্ত হলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে ।অন্যান্য পাখির ন্যায় কোয়েল পাখির তেমন কোন রোগ হয় না ।তাই কোয়েল পাখির ভ্যাকসিন এর তেমন প্রয়োজন হয় না ।তবে কোন এলাকায় রাণীক্ষেত রোগের প্রাদুর্ভাব থাকলে রাণীক্ষেত রোগের ভ্যাকসিন নিয়মানুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে এবং তাদের পৃথক পৃথক ভাবে লালন পালন করতে হবে।আবার কোয়েল কৃমিজনিত রোগে আক্রান্ত হয় না ।তাই কোয়েলকে কৃমিনাশক প্রয়োগ করতে হয় না ।

উত্তম জীব নিরাপত্তা (Bio security), যথাযথ ব্যবস্থাপনা (proper management),উত্তম স্যানিটেশন (Good sanitation practices),স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবস্থাপনা (Good hygienic management program) ইত্যাদির মাধ্যমে কোয়েল খামারকে রোগ মুক্ত করতে হবে ।
এছাড়াও খামারে ইঁদুরের উপদ্রব ও মাইস (mice) , ফ্লি ( Fleas) নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ।
এ সমস্ত নিয়মাবলী সঠিক ভাবে মেনে চলতে পারলে কোয়েল খামারকে রোগ মুক্ত রাখা সম্ভব হবে এবং খামারে কোয়েল পালন লাভজনক হবে ।